২০১৮ সালের মামলা-হামলার অন্ধকার সময়ে তৃণমূলের ভরসা ছিলেন কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ
Update Time :
মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
/
৪৮৮
Time View
/
Share
৪৬২
২০১৮ সালের মামলা-হামলার অন্ধকার সময়ে তৃণমূলের ভরসা ছিলেন কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:রোমন হায়দার
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সারাদেশের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরেও বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নেমে এসেছিল মামলা-হামলার ঝড়। ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যন্ত হাজারো নেতাকর্মী গায়েবি মামলা ও দমননীতির শিকার হন। সে সময়ে অনেক শীর্ষ নেতা আত্মগোপনে চলে গেলেও তৃণমূলের পাশে দাঁড়ান কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, মামলা ও হামলার চাপে তারা যখন দিশেহারা, তখন মেহেদী হাসান পলাশ ঝুঁকি নিয়েও ছুটে বেড়িয়েছেন বাঞ্ছারামপুর থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে বাঞ্ছারামপুরে। আদালতের বারান্দা, কারাগারের ফটক—সব জায়গায় তিনি কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।তৃণমূলের ভাষ্যে, অনেক নেতা তখন “ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি” বলতে বলতে এলাকা ছেড়ে ঢাকায় বা বিদেশে চলে যান। কিন্তু পলাশ ভাই বলতেন—“ইয়া কর্মী, ইয়া কর্মী।” নিজের জীবন, যৌবন, অর্থ ও পরিবারকে উপেক্ষা করে তিনি দলের জন্য আত্মনিবেদন করেছেন।দলীয় সূত্রে জানা যায়, মেহেদী হাসান পলাশের নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপি এখন সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ। প্রতিটি আন্দোলন, অবরোধ ও কর্মসূচিতে তার নেতৃত্বে বিএনপি স্থানীয়ভাবে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।তৃণমূলের দাবি—আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০৬ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে চান তারা কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশকে।মামলা-হামলার দীর্ঘ তালিকাসরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে বাঞ্ছারামপুর বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—জি.আর ৭/২০১৮, বাঞ্ছারামপুর থানা-০৫, বিদ্রোহকারী আইনের ৩/৬ ধারাজি.আর ১১৭/২০১৮, বাঞ্ছারামপুর থানা-১০, দণ্ডবিধির ১৪৩/০০৩/০৩০/০০৭/০৪ ধারাজি.আর ১১৬/২০১৮, বাঞ্ছারামপুর থানা-০৯, বিদ্রোহকারী আইনের ৩/৬ ধারা, জি.আর ১০৯/২০১৮, বাঞ্ছারামপুর থানা-০২, দণ্ডবিধির ১৪৩/০০৩/০৩০/০০৭/০৫ ধারা বিজয় ৫৬/২৩, বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫ ধারা, দলীয় নথি অনুযায়ী আরও অন্তত ১৯টির বেশি মামলা রয়েছে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।নেতাকর্মীরা জানান, পলাশ ভাই ও গোলাপ ভাইয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে স্বৈরাচারের দেওয়া মিথ্যা মামলার বোঝা থেকে তারা ধীরে ধীরে মুক্ত হয়েছেন। এজন্য তৃণমূল তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
সম্পাদক-মোঃ রোমন হায়দার
পদবি: সহকারী শিক্ষক
আশ্রাফবাদ উচ্চ বিদ্যালয়
(M.B.A/B.B.S)
জেলা প্রতিনিধিঃ আজকের খবর/দৈনিক দেশ প্রতিদিন/দৈনিক বাংলার প্রতিচ্ছবি
মোবাইল-01771305674