শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
Headline :
বাঞ্ছারামপুর ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে মাদক বিরোধী ও শান্তি শৃংখলা রক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় সভা। বাঞ্ছারামপুরে ক্যানসারে আক্রান্ত আমেনা বেগমের চিকিৎসায় সহযোগিতার আবেদন, পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতি, চু/রি, অ/স্ত্র, মা/রা/মা/রি ও বি/স্ফো/র/ক/সহ ১১ মামলার আসামি রুবেল ওরফে দুখুকে  গ্রেফতা করে পুলিশ।  বাঞ্ছারামপুরে হাজী বিরিয়ানির কারখানায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা, ধ্বংস ৫৫০ বোতল কেওড়ার জল বাঞ্ছারামপুরে ব্রিজের ফুটপাত দখলমুক্ত করায় উপজেলা প্রশাসনকে সাধুবাদ, নিয়মিত নজরদারির দাবি এলাকাবাসীর রূপগঞ্জ হাসপাতালে রোগীর স্বর্ণ চুরির চেষ্টা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ নারীর ৬ মাসের কারাদণ্ড বাঞ্ছারামপুর ও নাসিরনগরের চার নারী দণ্ডিত, আটক করেন আনসার সদস্যরা স্ত্রী থাকতে শালিকাকে বিয়ে করলেন দুলাভাই, কান্নায় ভেঙে পড়লেন আগের স্ত্রী মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের কক্ষে ১৭ লাখ টাকা: অর্থের উৎস ও লুটের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন মাদারীপুরের কালকিনিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় আলীনগর ইউনিয়নের বাসিন্দারা একজন আদর্শ বাবা কি শুধু শরীরের শক্তিতে, নাকি ন্যায়বিচারের লড়াইয়ে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬ আসনের মধ্যে ৫টিতে বিএনপি, একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়।

২৮৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬ আসনের মধ্যে ৫টিতে বিএনপি, একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়।

মো রোমন হায়দার (বাঞ্ছারামপুর) নিজস্ব প্রতিনিধি:


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ হান্নান ধানের শীষ প্রতীকে ৬৮ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান মামুন ঘোড়া প্রতীকে পান ৩৫ হাজার ২২০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। তিনি মোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিব পান ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বিএনপি প্রার্থী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬ ভোট পেয়ে দেড় লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী মো. আতাউল্লাহ পান ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সচিব মুশফিকুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বিএনপি প্রার্থী এম এ মান্নান ৮৫ হাজার ৭৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ফুটবল প্রতীক নিয়ে পান ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট। এ আসনে জয়-পরাজয়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ১ হাজার ৬১ ভোট।
সবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাথাল প্রতীকে ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহসীন পান ৩৯ হাজার ৯৭৬ ভোট।
জেলার ছয়টি আসনের ফলাফলে পাঁচটিতে বিএনপির জয় এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিজয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচনকে ঘিরে জেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page