শত বছরের প্রাচীন আশ্রাফবাদ সিকদার বাড়ি জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ শেষে উদ্বোধন করে এডভোকেট রফিক সিকদার

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি:মো রোমন হায়দার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আশ্রাফবাদ সিকদার বাড়ি জামে মসজিদটি শত বছরেরও বেশি সময়ের প্রাচীন একটি ধর্মীয় স্থাপনা। দীর্ঘদিনের জীর্ণ ও জরাজীর্ণ মসজিদটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেয় এলাকাবাসী। স্থানীয়দের সহযোগিতা ও

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে নির্মাণকাজ শেষে মসজিদটির পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের আগে নতুন নির্মিত মসজিদটির উদ্বোধন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বোর্ড মেম্বার এবং বাঞ্ছারামপুরের কৃতী সন্তান অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার। এ সময় তিনি স্থানীয় মুসল্লিদের

সঙ্গে নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করেন।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার বলেন, সুস্থ ও নৈতিক সমাজ বিনির্মাণে আলেম-ওলামাদের আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ইমাম, মুয়াজ্জিন, শিক্ষক ও আলেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন,

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা প্রদানের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করেছে বর্তমান সরকার।রফিক সিকদার বলেন, “আশ্রাফবাদ এলাকার পূর্বপুরুষদের নির্মিত এই প্রাচীন মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে আজ জুমার নামাজের পূর্বে উদ্বোধন করতে পেরে আমি আনন্দিত। মসজিদটি নির্মাণে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”উদ্বোধন শেষে মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক, ইমাম, মুসল্লি ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আশ্রাফবাদ সিকদার বাড়ি কবরস্থান জিয়ারত করেন অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার। এ সময় কবরস্থানে শায়িত

ব্যক্তিদের এবং সব কবরবাসীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিনের পুরোনো মসজিদটি জীর্ণ হয়ে পড়ায় মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছিল। নতুন করে মসজিদ নির্মাণের ফলে স্থানীয় মুসল্লিদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। মসজিদটি ভবিষ্যতে এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন তারা।দোয়া ও মোনাজাতে আশ্রাফবাদ সিকদার বাড়ি কবরস্থানে চিরশায়িত ব্যক্তিসহ সব কবরবাসীর জন্য আল্লাহর কাছে মাগফিরাত ও জান্নাত কামনা করা হয়।