ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদকসেবনের দায়ে ১০ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা

ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি:DNB NEWS: কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদকসেবনের অপরাধে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ। পরে সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধান্যদৌল এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম (৪৫), সাহেবাবাদ ইউনিয়নের টাটেরা এলাকার মৃত সরু মিয়ার ছেলে মো. মামুন (৪৫), উপজেলা সদরের পূর্বপাড়া এলাকার মৃত ছেনু মিয়ার ছেলে মো. হেলাল (৩৫), দুলালপুর ইউনিয়নের দুলালপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার শরিফুল সরকারের ছেলে জোবায়ের সরকার (২২) এবং শিদলাই ইউনিয়নের শিদলাই তিতন হাজী বাড়ির হেলাল মিয়ার ছেলে জনি (২২)।
এ ছাড়া কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বারেশ্বর এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. ফরহাদ (১৯), একই এলাকার আবু কালামের ছেলে মো. হোসাইন (২০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গুরা এলাকার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে মো. রাসেল মিয়া (২৭), একই এলাকার মোতালেব হোসেনের ছেলে মো. সজীব (২৩) ও আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. শাহীন (২৪) রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল-আমিন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. মাহতাব হোসাইন ও মো. শামীম হোসেন এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. নূর-আল আহসান, লিংকন কুমার নাথ ও মো. সাইফুল আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকসেবনরত অবস্থায় ওই ১০ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়।
আদালত ফরহাদ, হোসাইন ও মামুনকে ১০ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ ছাড়া হেলালকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে রাসেল মিয়া, সজীব, শাহীন, সিরাজুল ইসলাম, জোবায়ের সরকার ও জনিকে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।”