মো রোমন হায়দার (ব্রাহ্মনবাড়িয়া) আখাউড়া প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা-এর মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামে আলোচিত সেই গাছটি অবশেষে প্রশাসনের উদ্যোগে কেটে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছটি মাটিতে উপড়ে পড়ে যায়। পরে গাছটির বেশ কিছু ডালপালা কেটে ফেলা হয়। তবে প্রায় ২০ দিন আগে আরেকটি ঝড়ের পর গাছটি পুনরায় দাঁড়িয়ে যায়, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই এটিকে অলৌকিক ঘটনা কিংবা জ্বিনের কাজ বলে প্রচার করতে থাকেন। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ গাছটি দেখতে ভিড় করেন। কেউ কেউ সেখানে আগরবাতি ও মোমবাতি জ্বালিয়ে মানত করতেও শুরু করেন।

এদিকে গাছটিকে কেন্দ্র করে লাল শালু কাপড় বেঁধে মাজারসদৃশ স্থাপনা তৈরির প্রস্তুতির খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। জনমনে বিভ্রান্তি ও কুসংস্কার ছড়ানো রোধে আজ দুপুরে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে গাছটি কেটে ফেলা হয়।
জানা গেছে, গাছটির মালিক বচিয়ারা গ্রামের প্রবাসী মো. আলামিন মুন্সি। স্থানীয়দের মতে, গাছটি পুনরায় দাঁড়িয়ে যাওয়ার ঘটনাটি প্রাকৃতিক কারণেই ঘটতে পারে, তবে গুজব ও কুসংস্কারের কারণে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে গুজব ও কুসংস্কার থেকে দূরে থেকে বাস্তবভিত্তিক তথ্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।