বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
Headline :
হোমনায় কীটনাশকের ট্যাবলেট খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা-থানায় একটি সাধারন ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। মানিকপুর ইউনিয়ন ভূমি সেবা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় প্যানেল চেয়ারম্যান মোস্তফাকে হুমকি দেওয়ার দাবি। বাঞ্ছারামপুর রূপসদী দক্ষিণ বিলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ৩ দিন ধরে নিখোঁজ জহিরুল ইসলাম, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকারে এইচআরডিএসের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬: জেলা পর্যায়ের ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিল উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী উজানচর কংস নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপপরিদর্শক বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নেতৃত্বে আসছেন কে?প্রশ্ন জনমনে? বাঞ্ছারামপুরে ১৪ শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাত্র ৫ জন, পাস করেছে ১ জন; শিক্ষার মান নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচনে ভোট ডাকাতি ও হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ বাঞ্ছারামপুরের বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন জিয়ার মেসেঞ্জার হ্যাক, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় অনলাইন সেবা চালু, ঘরে বসেই মিলছে ট্রেড লাইসেন্স ও নাগরিক সনদ।

৩৫৪

বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় অনলাইন সেবা চালু, ঘরে বসেই মিলছে ট্রেড লাইসেন্স ও নাগরিক সনদ।

মো রোমন হায়দার বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নাগরিক সেবায় যুক্ত হয়েছে নতুন ডিজিটাল অধ্যায়। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সহজতর করার লক্ষ্যে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভা চালু করেছে অনলাইন সেবা কার্যক্রম, যার মাধ্যমে এখন ঘরে বসেই পাওয়া যাচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পৌরসেবা।
এক সময় এসব সেবা নিতে হলে নাগরিকদের পৌরসভা কার্যালয়ে একাধিকবার যাতায়াত করতে হতো। দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা, কাগজপত্র যাচাই-বাছাই এবং সময়ক্ষেপণের কারণে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হতো। তবে নতুন এই অনলাইন ব্যবস্থার ফলে সেই চিত্র দ্রুত পরিবর্তন হতে শুরু করেছে।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, নাগরিকরা এখন সরাসরি পৌরসভার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় সেবার জন্য আবেদন করতে পারছেন।


পৌরসভার ওয়েবসাইট:
বর্তমানে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স, হোল্ডিং ট্যাক্স সংক্রান্ত তথ্য, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করা যাচ্ছে। এতে নাগরিকদের সময় ও খরচ দুটোই কমছে। পাশাপাশি সেবা প্রক্রিয়াও আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বিশেষ করে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী এবং প্রবাসীদের জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর হয়ে উঠছে। আগে যেসব কাজ সম্পন্ন করতে দিনের পর দিন পৌরসভায় যেতে হতো, এখন তা অনেকটাই অনলাইনে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।
পৌরসভার প্রশাসনিক সূত্র জানায়, বর্তমান প্রশাসকের উদ্যোগে অনলাইন সেবা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করা হয়েছে। ডিজিটাল সিস্টেম চালুর ফলে একদিকে যেমন সেবার মান উন্নত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রশাসনিক কাজেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নতুন এই ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষ উপকৃত হলেও অনেকেই এখনও এ বিষয়ে পুরোপুরি অবগত নন। ফলে কিছু মানুষ এখনও পুরোনো পদ্ধতিতে পৌরসভায় গিয়ে সেবা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। তারা মনে করেন, ব্যাপক প্রচার চালানো গেলে আরও বেশি মানুষ এই সুবিধার আওতায় আসবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, স্থানীয় সরকারের এই ধরনের ডিজিটাল উদ্যোগ বাংলাদেশের “ডিজিটাল সেবা” সম্প্রসারণের ধারাকে আরও এগিয়ে নিচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিক হয়রানি কমানো এবং সময়মতো সেবা নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য।
পৌরসভার কর্মকর্তারা নাগরিকদের অনুরোধ জানিয়েছেন, তারা যেন নিয়মিত ওয়েবসাইট ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করেন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সুবিধা কাজে লাগান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page