বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
Headline :
হোমনায় কীটনাশকের ট্যাবলেট খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা-থানায় একটি সাধারন ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। মানিকপুর ইউনিয়ন ভূমি সেবা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় প্যানেল চেয়ারম্যান মোস্তফাকে হুমকি দেওয়ার দাবি। বাঞ্ছারামপুর রূপসদী দক্ষিণ বিলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ৩ দিন ধরে নিখোঁজ জহিরুল ইসলাম, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকারে এইচআরডিএসের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬: জেলা পর্যায়ের ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিল উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী উজানচর কংস নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপপরিদর্শক বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নেতৃত্বে আসছেন কে?প্রশ্ন জনমনে? বাঞ্ছারামপুরে ১৪ শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাত্র ৫ জন, পাস করেছে ১ জন; শিক্ষার মান নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচনে ভোট ডাকাতি ও হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ বাঞ্ছারামপুরের বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন জিয়ার মেসেঞ্জার হ্যাক, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

বাঞ্ছারামপুরের চামড়ার ব্যবসায়ীরা ন্যায্য মূল্য আশা করছেন সরকার প্রধানের কাছে

১৯১

বাঞ্ছারামপুরের চামড়ার ব্যবসায়ীরা ন্যায্য মূল্য আশা করছেন সরকার প্রধানের কাছে

মো রোমন হায়দার বাঞ্ছারামপুর নিজস্ব প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চামড়া ব্যবসায়ীরা কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবিতে সরকার প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত মূল্য থাকলেও মাঠপর্যায়ে সেই দাম কার্যকর না হওয়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

 


স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে তারা বিপুল পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু প্রত্যাশিত দামে বিক্রি করতে না পারায় অনেকেই হতাশায় ভুগছেন। বিশেষ করে উপজেলার বিশিষ্ট চামড়া ব্যবসায়ী মনু বেপারীর ছেলে আব্দুর রশিদ বেপারী প্রায় ৮০০টি চামড়া ক্রয় করে বর্তমানে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। বাজারে কাঙ্ক্ষিত মূল্য না থাকায় তার মতো অনেক ব্যবসায়ী লোকসানের আশঙ্কা করছেন।
আব্দুর রশিদ বেপারী বলেন, “বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করে চামড়া কিনেছি। কিন্তু বাজারে দাম খুবই কম। সরকার নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়ন না হলে আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।”


চামড়া ব্যবসায়ীদের দাবি, মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ, ট্যানারি পর্যায়ে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হলে চামড়ার বাজার স্থিতিশীল থাকবে। এতে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোও উপকৃত হবে।
তারা সরকার প্রধানের কাছে চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত এবং

 

 

বাজার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীদের আশা, দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে দেশের চামড়া শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াবে এবং কোরবানির পশুর চামড়ার প্রকৃত মূল্য পাওয়া সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page