বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
Headline :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা মনিরুল হাসান আব্দুল্লাহ। বাঞ্ছারামপুর মামলা-হামলা ও নির্যাতনের স্মৃতি পেরিয়ে ছাত্রদলের নেতৃত্বের আলোচনায় ইব্রাহিম সরকার হোমনায় কীটনাশকের ট্যাবলেট খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা-থানায় একটি সাধারন ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। মানিকপুর ইউনিয়ন ভূমি সেবা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় প্যানেল চেয়ারম্যান মোস্তফাকে হুমকি দেওয়ার দাবি। বাঞ্ছারামপুর রূপসদী দক্ষিণ বিলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ৩ দিন ধরে নিখোঁজ জহিরুল ইসলাম, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকারে এইচআরডিএসের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬: জেলা পর্যায়ের ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিল উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী উজানচর কংস নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপপরিদর্শক বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নেতৃত্বে আসছেন কে?প্রশ্ন জনমনে? বাঞ্ছারামপুরে ১৪ শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাত্র ৫ জন, পাস করেছে ১ জন; শিক্ষার মান নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ

বাঞ্ছারামপুরে অফিসে সিলিং ফ্যান পড়ে আহত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার

২২৫

বাঞ্ছারামপুরে অফিসে সিলিং ফ্যান পড়ে আহত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার


বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:মো:রোমন হায়দার 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত অবস্থায় সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে আহত হয়েছেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার। এ ঘটনায় তার মাথায় ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে এ ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সকাল ১১টার দিকে অফিসে নিয়মিত কাজ করছিলেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার। এ সময় হঠাৎ অফিসের একটি সিলিং ফ্যান খুলে তার মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান এবং মাথার একটি অংশ কেটে যায়।পরে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার মাথায় ছয়টি সেলাই দেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে খাদিজা আক্তার বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।খাদিজা আক্তারের স্বামী শামসুজ্জামান, সহকারী শিক্ষক (গণিত), হোমনা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা—তার দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।উল্লেখ্য, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার এর আগে দীর্ঘদিন হোমনা উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। কর্মজীবনে তিনি ওই এলাকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে পরিচিত মুখ হিসেবে ছিলেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে তার দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page