বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
Headline :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা মনিরুল হাসান আব্দুল্লাহ। বাঞ্ছারামপুর মামলা-হামলা ও নির্যাতনের স্মৃতি পেরিয়ে ছাত্রদলের নেতৃত্বের আলোচনায় ইব্রাহিম সরকার হোমনায় কীটনাশকের ট্যাবলেট খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা-থানায় একটি সাধারন ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। মানিকপুর ইউনিয়ন ভূমি সেবা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় প্যানেল চেয়ারম্যান মোস্তফাকে হুমকি দেওয়ার দাবি। বাঞ্ছারামপুর রূপসদী দক্ষিণ বিলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ৩ দিন ধরে নিখোঁজ জহিরুল ইসলাম, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকারে এইচআরডিএসের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬: জেলা পর্যায়ের ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিল উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী উজানচর কংস নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপপরিদর্শক বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নেতৃত্বে আসছেন কে?প্রশ্ন জনমনে? বাঞ্ছারামপুরে ১৪ শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাত্র ৫ জন, পাস করেছে ১ জন; শিক্ষার মান নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ

বাঞ্ছারামপুরে গৃহবধূ আফরোজার রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামীর পরকীয়ার জেরে হত্যার অভিযোগ, পলাতক স্বামী

৩৯২

বাঞ্ছারামপুরে গৃহবধূ আফরোজার রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামীর পরকীয়ার জেরে হত্যার অভিযোগ, পলাতক স্বামী


মো. রোমন হায়দার, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের ঝুনারচর এলাকায় তিন সন্তানের জননী গৃহবধূ আফরোজা বেগমের রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, স্বামী টগর মিয়ার পরকীয়ার সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় পরিকল্পিতভাবে আফরোজাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই স্বামী টগর মিয়া পলাতক রয়েছেন।
নিহত আফরোজা বেগমের বাবার বাড়ি উপজেলার দরিকান্দি গ্রামে। ১৪ জুলাই ঢাকা থেকে ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর মরদেহ ঝুনারচরে আনা হলে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
আফরোজার বোন অভিযোগ করেন, টগর মিয়া প্রবাসে থাকাকালীন অন্য এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। পরে ওই নারীর টানে দেশে ফিরে আফরোজাকে বাবার বাড়িতে পাঠানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এতে আফরোজা বাধা দিলে দাম্পত্য কলহ চরমে পৌঁছে। একপর্যায়ে তাঁকে হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর উদ্দেশ্যে মুখে কীটনাশক দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্বজনদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার কারণে আফরোজা মানসিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে টগর মিয়ার পরিবারের দাবি, এটি হত্যাকাণ্ড নয়; আফরোজা নিজেই কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল বলে তারা স্বীকার করেছেন।
এদিকে টগর মিয়ার পরকীয়ার অভিযোগের বিষয়ে একাধিক ছবি ও অনলাইন চ্যাটের তথ্য স্থানীয় সাংবাদিকদের হাতে এসেছে বলে জানা গেছে। তবে এসব তথ্যের সত্যতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।
 পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সন্তানরা বারবার জানতে চাইছে—”আমাদের মাকে কেন আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হলো?” তাদের এই হৃদয়বিদারক আহ্বান এলাকাবাসীকেও আবেগাপ্লুত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, আলামত সংগ্রহ এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি নিউজ বাঞ্ছারামপুরের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে আইনগতভাবে দোষী বা নির্দোষ বলা সম্ভব নয়। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তই চূড়ান্ত ভিত্তি হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page