বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
Headline :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা মনিরুল হাসান আব্দুল্লাহ। বাঞ্ছারামপুর মামলা-হামলা ও নির্যাতনের স্মৃতি পেরিয়ে ছাত্রদলের নেতৃত্বের আলোচনায় ইব্রাহিম সরকার হোমনায় কীটনাশকের ট্যাবলেট খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা-থানায় একটি সাধারন ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। মানিকপুর ইউনিয়ন ভূমি সেবা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় প্যানেল চেয়ারম্যান মোস্তফাকে হুমকি দেওয়ার দাবি। বাঞ্ছারামপুর রূপসদী দক্ষিণ বিলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ৩ দিন ধরে নিখোঁজ জহিরুল ইসলাম, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকারে এইচআরডিএসের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬: জেলা পর্যায়ের ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিল উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী উজানচর কংস নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপপরিদর্শক বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নেতৃত্বে আসছেন কে?প্রশ্ন জনমনে? বাঞ্ছারামপুরে ১৪ শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাত্র ৫ জন, পাস করেছে ১ জন; শিক্ষার মান নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬’ এর শুভ উদ্বোধন জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ

২৬৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬’ এর শুভ উদ্বোধন জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ

শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যাভ্যাস বৃদ্ধি এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আলোকিত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬’ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে বই পড়ার উপকারিতা ও স্বপ্ন পূরণের নানান দিক নিয়ে আলোচনা করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ।

প্রধানমন্ত্রীর ‘বই পড়ি, দেশ গড়ি’ নির্দেশনার আলোকে জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বই পড়ুয়াদের সংগঠন ‘অ আ ক খ’ এর সহযোগিতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ শিক্ষার্থীদের নতুন স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস ও বিজ্ঞান বিষয়ক বই পড়া শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, সৃজনশীলতা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আবু তালেব কর্মসূচির বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন।

এছাড়াও ‘অ আ ক খ’ সংগঠনের প্রতিনিধি শেখ ফাতিমা পাপিয়া সাহিত্যের মাধ্যমে সৌহার্দ্য ও মানবিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা করেন।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিনটি বিভাগে (ক, খ ও গ) এই প্রতিযোগিতা পরিচালিত হবে। বাংলা সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও জীবনীমূলক গ্রন্থ পাঠ শেষে মোট ৫০ নম্বরের (লিখিত ২০, মৌখিক ১০ এবং বই উপস্থাপনা ও বিশ্লেষণ ২০) মূল্যায়নের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায় থেকে সেরা ১৫ জন শিক্ষার্থীকে জেলা পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত করা হবে।

বিভাগভিত্তিক চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার-আপদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়াও জেলা পর্যায়ের সব অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীকে সনদপত্র দেওয়া হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে ৭টি বিশেষ উপ-কমিটি পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page