বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
Headline :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা মনিরুল হাসান আব্দুল্লাহ। বাঞ্ছারামপুর মামলা-হামলা ও নির্যাতনের স্মৃতি পেরিয়ে ছাত্রদলের নেতৃত্বের আলোচনায় ইব্রাহিম সরকার হোমনায় কীটনাশকের ট্যাবলেট খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা-থানায় একটি সাধারন ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। মানিকপুর ইউনিয়ন ভূমি সেবা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় প্যানেল চেয়ারম্যান মোস্তফাকে হুমকি দেওয়ার দাবি। বাঞ্ছারামপুর রূপসদী দক্ষিণ বিলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ৩ দিন ধরে নিখোঁজ জহিরুল ইসলাম, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকারে এইচআরডিএসের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬: জেলা পর্যায়ের ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিল উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী উজানচর কংস নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপপরিদর্শক বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নেতৃত্বে আসছেন কে?প্রশ্ন জনমনে? বাঞ্ছারামপুরে ১৪ শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাত্র ৫ জন, পাস করেছে ১ জন; শিক্ষার মান নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ

বাঞ্ছারামপুর আশ্রাফবাদে কৃষি অফিসের সহযোগিতায় কচু চাষে সফল মফিজ মিয়া, মাসে আয় প্রায় ১৮ হাজার টাকা

৩৭৭

বাঞ্ছারামপুর কৃষি অফিসের সহযোগিতায় কচু চাষে সফল মফিজ মিয়া, মাসে আয় প্রায় ১৮ হাজার টাকা।

স্টাফ রিপোর্টার।মো রোমন হায়দার বাঞ্ছারামপুর।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আশ্রাফবাদ গ্রামের বাসিন্দা মফিজ মিয়া পরিশ্রম, পরিকল্পনা এবং উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় কচু চাষ করে স্বাবলম্বিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। একটি ছোট মুদি দোকান পরিচালনার পাশাপাশি অবসর সময়ে কচু চাষ করে তিনি বর্তমানে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১৮ হাজার টাকা আয় করছেন। বছরে তার এই খাত থেকে আয় দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
জানা যায়, কৃষিকাজের প্রতি আগ্রহ থেকেই মফিজ মিয়া বাড়ির আশপাশের জমিতে কচু চাষ শুরু করেন। শুরুতেই তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কৃষি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কৃষি অফিস থেকে উন্নতমানের বীজ, প্রয়োজনীয় সার এবং আধুনিক চাষাবাদ বিষয়ে কারিগরি পরামর্শ পান। সেই পরামর্শ অনুসরণ করে নিয়মিত পরিচর্যা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তিনি ভালো ফলন অর্জন করেন।
মফিজ মিয়া বলেন, ‘আগে অবসর সময় তেমন কাজে লাগত না। পরে কৃষি অফিসের পরামর্শে কচু চাষ শুরু করি। এখন মুদি দোকানের পাশাপাশি কচু চাষ থেকেও নিয়মিত আয় হচ্ছে। এতে পরিবারের খরচ চালানো সহজ হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি জমিতে কচু চাষের পরিকল্পনা রয়েছে।’
স্থানীয়দের মতে, মফিজ মিয়ার সফলতা এলাকার অনেক কৃষক ও তরুণকে কৃষিকাজে আগ্রহী করে তুলেছে। অল্প জমিতে পরিকল্পিতভাবে চাষাবাদ করে যে ভালো আয় করা সম্ভব, তিনি তার বাস্তব উদাহরণ।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে আমরা মফিজ মিয়াকে উন্নতমানের বীজ, সার এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দিয়ে নিয়মিত সহযোগিতা করে আসছি। তার সাফল্য আমাদের জন্যও অনুপ্রেরণাদায়ক। ভবিষ্যতেও তাকে সরকারি বিভিন্ন কৃষি সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আরও সহযোগিতা করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই করতে উপজেলা কৃষি অফিস সবসময় কৃষকদের পাশে রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত জাতের বীজ এবং সময়োপযোগী পরামর্শ গ্রহণ করলে কৃষকরা কম খরচে বেশি উৎপাদন করে নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন করতে পারবেন।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মফিজ মিয়ার মতো সফল উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আনলে শুধু একজন কৃষকের নয়, পুরো এলাকার কৃষি অর্থনীতিতেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি অন্যরাও কৃষিকে লাভজনক পেশা হিসেবে গ্রহণে উৎসাহিত হবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page