বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
Headline :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা মনিরুল হাসান আব্দুল্লাহ। বাঞ্ছারামপুর মামলা-হামলা ও নির্যাতনের স্মৃতি পেরিয়ে ছাত্রদলের নেতৃত্বের আলোচনায় ইব্রাহিম সরকার হোমনায় কীটনাশকের ট্যাবলেট খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা-থানায় একটি সাধারন ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। মানিকপুর ইউনিয়ন ভূমি সেবা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় প্যানেল চেয়ারম্যান মোস্তফাকে হুমকি দেওয়ার দাবি। বাঞ্ছারামপুর রূপসদী দক্ষিণ বিলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ৩ দিন ধরে নিখোঁজ জহিরুল ইসলাম, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকারে এইচআরডিএসের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬: জেলা পর্যায়ের ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিল উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী উজানচর কংস নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপপরিদর্শক বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নেতৃত্বে আসছেন কে?প্রশ্ন জনমনে? বাঞ্ছারামপুরে ১৪ শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাত্র ৫ জন, পাস করেছে ১ জন; শিক্ষার মান নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে চাঞ্চল্যকর জালিয়াতি: দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে পালাতে সহায়তায় মামলা, আটক ২।

৭৩৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে চাঞ্চল্যকর জালিয়াতি: দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে পালাতে সহায়তায় মামলা, আটক ২।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ মোঃ সোবেল মিয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে অন্য এক আসামির জামিননামা ব্যবহার করে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির পলায়নের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গত ২৯ জানুয়ারি রাতে জেলার মনজুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মূল পলাতক আসামিসহ মোট ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
​ঘটনার প্রেক্ষাপট:
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পলায়নকারী আসামি হৃদয় নিজেকে সাধারণ একটি মামলার জামিনপ্রাপ্ত আসামি দিদার হোসেন হিসেবে উপস্থাপন করেন। অত্যন্ত সুকৌশলে কারাগারে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও রক্ষীদের বিভ্রান্ত করেন তিনি। এ সময় হৃদয় দাবি করেন যে, তার ‘কেস হিস্ট্রি টিকিট’-এর ছবি হারিয়ে গেছে। তাকে সহায়তায় এগিয়ে আসেন কারাগারে থাকা অন্যান্য আসামিরা। তারা হৃদয়ের পরিচয় দিদার হোসেন হিসেবে নিশ্চিত করে মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করেন।
​পরিকল্পিত প্রতারণা:
কারা কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত ঘটনা। জামিনপ্রাপ্ত দিদার হোসেনসহ ২ থেকে ৭ নম্বর আসামিদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে বিষয়টি সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা স্বীকার করেন যে, অনৈতিক লাভের আশায় তারা পরস্পর যোগসাজশে হৃদয়কে ছদ্মবেশ ধারণ এবং প্রতারণার মাধ্যমে পালাতে সহায়তা করেছেন।
​বর্তমান পরিস্থিতি ও আইনি পদক্ষেপ:
ঘটনার পরপরই মূল জামিনপ্রাপ্ত দিদার হোসেন ও পলাশ নামে দুই আসামিকে কারাগার থেকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
​নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে একজন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির এভাবে পলায়নের ঘটনায় কারাগারের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পলাতক আসামি হৃদয়কে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page