বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
Headline :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১৩নং ধরমন্ডল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ফরহাদ হোসেন বাঞ্ছারামপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায়  শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উৎযাপন বাঞ্ছারামপুর ভেলানগর পশ্চিমপাড়া যুব সমাজের আয়োজনে ঈদ উৎসব নাইট ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হজ্বে আরাফাত ময়দান থেকে নিখোঁজ বাংলাদেশি নারী, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি বাঞ্ছারামপুর  ফরদাবাদ মুন্সিবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে সড়কের এক পাশ ধসে দুর্ঘটনার আশঙ্কা নারী কর্মীর বিস্ফোরক অভিযোগ, পাল্টা অস্বীকার কর্মকর্তার—উত্তপ্ত কুমিল্লা বাঞ্ছারামপুর ঈদ উপলক্ষে মানবিক উদ্যোগ, অসহায় মানুষের হাতে উপহার তুলে দিলেন -জোনায়েদ সাকি। নাসিরনগরে ধরমন্ডল থেকে ঈদুল – আজহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সি.বি.এম বখতিয়ার।  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধ’র্ষণ, অ’ন্তঃসত্ত্বা কিশোরী তার গর্ভের সন্তানের পিতৃপরিচয় চায়! ধরমন্ডলে জাগ্রত যুব উন্নয়ন পরিষদ ৪৬ সদস্য আংশিক কমিটি অনুমোদন।

কক্সবাজার স্টেডিয়ামে ফুটবল ফাইনালকে কেন্দ্র করে লঙ্কাকান্ড, আহত অর্ধশতাধিক

245

কক্সবাজার স্টেডিয়ামে ফুটবল ফাইনালকে কেন্দ্র করে লঙ্কাকান্ড, আহত অর্ধশতাধিক

জামাল উদ্দীন,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি,

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে সংঘটিত হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। উচ্ছৃঙ্খল দর্শকের হামলায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন, পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। স্টেডিয়াম ভবন, গ্যালারি ও প্রেস বক্সে চালানো হয়েছে ব্যাপক ভাংচুর।

শুক্রবার বিকেলে রামু ও টেকনাফ উপজেলার মধ্যে ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই দর্শকের উপচেপড়া ভিড় জমে। স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৫ হাজার হলেও বিক্রি করা হয় প্রায় ১৫ হাজার টিকিট। নির্ধারিত ৫০ টাকার টিকিট কালোবাজারে ২০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অতিরিক্ত দর্শক গ্যালারিতে স্থান না পেয়ে বিকেল আড়াইটার দিকে মাঠে প্রবেশ করে। এরপর শুরু হয় বিশৃঙ্খলা। খেলা শুরু হওয়ার আগেই ভাঙচুরে পণ্ড হয়ে যায় ফাইনাল ম্যাচ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীসহ বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হলেও একাধিক দফায় ব্যর্থ হয়।

এ সময় হামলায় আহত অন্তত ৫০ জনের মধ্যে ১৫ জনকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক।দর্শক ও স্থানীয়দের অভিযোগ,প্রশাসনের গাফেলতি ও দায়িত্বহীনতা,ইজারাদারদের লোভে ধারণক্ষমতার তিনগুণ টিকিট বিক্রি,টিকিট কালোবাজারীর সিন্ডিকেট,এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বল ভূমিকার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।খেলার মাঠে উপস্থিত দর্শকরা দাবি করেন, বিশৃঙ্খলায় বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাও অংশ নেয় এবং ভাঙচুরে সক্রিয় ছিল।

কক্সবাজারের সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়রা বলেন, “ফাইনাল ম্যাচে বিপুল দর্শক সমাগম হবে এটা আগে থেকেই জানা ছিল। কিন্তু প্রশাসন কোন প্রস্তুতি নেয়নি। ইজারাদারদের টিকিট বাণিজ্যের কারণে আজ স্টেডিয়াম ধ্বংস হলো। প্রতিটি ঘটনার


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page