ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন উপপরিচালক হালিমা খাতুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:মোঃ রোমন হায়দার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন উপপরিচালক হিসেবে হালিমা খাতুনকে পদায়ন করা হয়েছে। তিনি এর আগে যশোরের ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টারের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।রোববার (৩০ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের বহিরাগমন-৪ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ বদলি ও পদায়নের তথ্য জানানো হয়। অফিস আদেশ অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের বর্তমান উপপরিচালক মো. শাহজাহান কবিরকে যশোরের ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে যশোরের ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টারের উপপরিচালক হালিমা খাতুনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়।অফিস আদেশে শাহজাহান কবিরকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবমুক্ত না হলে ওইদিন অপরাহ্নে তিনি বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (Stand Release) বলে গণ্য হবেন।পাসপোর্ট সেবা নিয়ে নানা অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দীর্ঘদিন ধরে পাসপোর্টপ্রত্যাশীদের হয়রানি, অনিয়ম ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে অফিসটির কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।এর আগে গত ২৩ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ পাসপোর্ট অফিস আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তারা নির্ধারিত নিয়মে সেবা পাচ্ছেন কি না, কোনো ধরনের ভোগান্তি বা হয়রানির শিকার হচ্ছেন কি না—তা জানতে চান। পরে তিনি অফিসের উপপরিচালকের সঙ্গে মতবিনিময় করে সেবার মান উন্নয়ন, দালালমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা এবং দ্রুত ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।নতুন দায়িত্বে হালিমা খাতুন নতুন উপপরিচালক হিসেবে হালিমা খাতুনের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সেবা ব্যবস্থাপনায় নতুন নেতৃত্ব আসছে। জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হওয়ায় নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সেবাপ্রার্থীদের প্রত্যাশাও রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন উপপরিচালকের নেতৃত্বে পাসপোর্ট সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত, সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ এবং সরকারি নির্ধারিত নিয়মে দ্রুত সেবা দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।