কথায়-কবিতায় শামসুর রাহমানকে স্মরণ করল তিতাস আবৃত্তি সংগঠন

মেহেদী হাসান মেহের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:ডেইলি নিউজ বাঞ্ছারামপুর 

কথা ও কবিতায় স্বাধীনতার কবি শামসুর রাহমানকে স্মরণ করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস আবৃত্তি সংগঠন। শনিবার বিকেলে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় চত্বরে এ স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে কবির জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর লেখার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি কবির বিভিন্ন কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সাবেক সহকারী পরিচালক স্বপন কুমার দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহকারী পরিচালক সুজন সরকার ও আবৃত্তি সংগঠক ফাহিমা সুলতানা। স্বাগত বক্তব্য দেন সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার দাস।কবি শামসুর রাহমানের জীবন ও সৃজনশীলতা নিয়ে আলোচনা করেন সংস্কৃতিসেবী অধ্যাপক মোমিন খান, উন্নয়ন সংগঠক তাপসী রায়, তরুণ উদ্যোক্তা কাজী জসীম উদ্দিন ও সোনালী সকালের সাংগঠনিক সম্পাদক জোবায়েদ আহমেদ।অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন কবিতা আবৃত্তি করেন সাবিহা বিনতে শামীম, সামিহা বিনতে শামীম, স্পন্দন কর, ঝুম বিশ্বাস, ফারিহা আফরোজ জেসি, তায়িবা জামান ওহি, লুবাবা মাহজুজা, আপন বিশ্বাস, অর্পা মিত্র ভৌমিক, মোজাম্মেল আহমেদ, তাসফিয়া ইসলাম প্রমি, ফারদিয়া আশরাফী নাওমি, ফাহিমা সুলতানা, আনিসুর রহমান, সানজিয়া আফরিন ও মো. সুজন সরকার।তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সহকারী পরিচালক মো. সুজন সরকার বলেন, কবি শামসুর রাহমানের প্রয়াণের পর থেকেই তাঁর প্রয়াণ দিবসে সংগঠনটি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার কথা ও কবিতার মাধ্যমে কবিকে স্মরণ করা হয়েছে।সভাপতির বক্তব্যে স্বপন কুমার দেবনাথ বলেন, বাঙালির ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার, স্বায়ত্তশাসন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় শামসুর রাহমানের কবিতা মানুষকে প্রেরণা জুগিয়েছে। তাঁর কবিতা ও লেখনী মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় মানুষকে উজ্জীবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ কারণে তিনি স্বাধীনতার কবি হিসেবে সমাদৃত।