বাঞ্ছারামপুরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা শাখা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ১১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমান্ড কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
গত সোমবার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি এ এইচ এম সোহেল রানা ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর সিদ্দিকী কমিটির অনুমোদন দেন।
নবগঠিত কমিটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শরীফুল ইসলামের সন্তান এস এইচ জেড শুকড়ী সেলিমকে আহ্বায়ক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফিরোজ মিয়ার সন্তান মো. আশরাফ হোসেন কাজলকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল বাতেনের ছেলে বাহাউদ্দিন বাহার।
কমিটির সদস্যরা হলেন—বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মিজান মিয়ার ছেলে মো. ফেরদৌস, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলে আলী খানের ছেলে মাহবুব আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শাহজাহানের ছেলে কাজী ইলিয়াছ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তারের ছেলে আবদুর রহিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. বাহাউদ্দিনের মেয়ে সাবিহা সুলতানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাকিমের মেয়ে নাহিদা সুলতানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওহাবের ছেলে মো. সজিব মিয়া এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মিয়ার ছেলে মো. সাজ্জাতুল করিম।
নেতৃত্বে যারা
নবনির্বাচিত আহ্বায়ক এস এইচ জেড শুকড়ী সেলিম বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।
তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শরীফুল ইসলাম একজন স্কুলশিক্ষক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
অন্যদিকে নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব মো. আশরাফ হোসেন কাজল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি ‘সুজন স্মৃতি পরিষদ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মো. ফিরোজ মিয়া বাঞ্ছারামপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শরীফুল ইসলাম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মো. ফিরোজ মিয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁদের সন্তানদের নেতৃত্বে নতুন কমিটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংগঠিত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।