মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
Headline :
বাঞ্ছারামপুরে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ১৩ ডিলারের জরিমানা শাহ্ রাহাত আলী (রহঃ) মাজারের টিনশেড ভবন নিলামে বিক্রি ঘোষণা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরে খাল্লা গ্রামে ২২তম ওরশ মোবারক উপলক্ষে বাউল জলসা অনুষ্ঠিত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরে ৯৫০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে নাহিদার মৃত্যু: আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা? রহস্যে নবীনগর। ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর সড়কে থানা পুলিশের বিশেষ তল্লাশি অভিযান শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগরে ১২ বছরের কিশোর নিখোঁজ সন্ধান চায় পরিবার। বাঞ্ছারামপুর নিলাম ছাড়াই কালভার্ট ভেঙে বিক্রির অভিযোগ,একাবাসীর তীব্র ক্ষোভ BNP Network” কেন্দ্র করে বিএনপির বিজিএন: তৃণমূল ও কেন্দ্রে সংযোগ জোরদার বাঞ্ছারামপুরে বাংলাদেশ স্কাউটস এর জাতীয় পর্যায়ের শাপলা কাপ ও প্রেসিডেন্ট’স কাপ (পিএস) মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত

বাঞ্ছারামপুর নিলাম ছাড়াই কালভার্ট ভেঙে বিক্রির অভিযোগ,একাবাসীর তীব্র ক্ষোভ

সারাদেশ

নিলাম ছাড়াই কালভার্ট ভেঙে বিক্রির অভিযোগ, বাঞ্ছারামপুরে তীব্র ক্ষোভ

নিলাম ছাড়াই কালভার্ট ভেঙে বিক্রির অভিযোগ, বাঞ্ছারামপুরে তীব্র ক্ষোভ

ছবি : নিলাম ছাড়াই কালভার্ট ভেঙে বিক্রির অভিযোগ, বাঞ্ছারামপুরে তীব্র ক্ষোভ


 প্রকাশিত : ২৯ মার্চ ২০২৬

 
মোহাম্মদ রোমন হায়দার বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় সরকারি নিয়ম-কানুন উপেক্ষা করে নিলাম ছাড়াই একটি পুরোনো কালভার্ট ভেঙে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ, উদ্বেগ ও আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মারাত্মক ঘাটতির একটি উদাহরণ এই ঘটনা। কোনো ধরনের উন্মুক্ত নিলাম ছাড়াই কালভার্ট ভেঙে ফেলা এবং মূল্যবান সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এতে একদিকে সরকারি সম্পদের অপচয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে হঠাৎ ভাঙার কারণে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জানা গেছে, উপজেলার বাঞ্ছারামপুর–কদমতলী–মরিচাকান্দি সড়কের কদমতলী উত্তরপাড়ায় পুরোনো একটি কালভার্টের স্থলে নতুন সেতু নির্মাণের টেন্ডার হয়েছে। তবে নীতিমালা অনুযায়ী পুরোনো স্থাপনা উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রির কথা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পূর্ব ঘোষণা বা বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই পুরোনো কালভার্টটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এতে নতুন কদমতলী, তাতুয়াকান্দি ও মরিচাকান্দি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কবরস্থানে যাতায়াত হঠাৎ করেই ব্যাহত হয়েছে। কদমতলী উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আকলিমা বেগম বলেন, “সকালে এই রাস্তা ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে গিয়েছি, কিন্তু এখন কীভাবে ফিরব বুঝতে পারছি না। অনেক শিক্ষার্থী, বিশেষ করে মেয়েরা এই পথে চলাচল করে—তাদের নিরাপদে পারাপার এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।” স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কালভার্ট ভাঙার পরপরই লোহার রডসহ মূল্যবান সামগ্রী দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা অনিয়মের সন্দেহকে আরও জোরালো করেছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “কালভার্টটি ভাঙা হচ্ছে বা কারা কাজ করছে—এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এটি নিলামে দেওয়ার জন্য আমাদের প্রক্রিয়া চলছিল। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নির্দেশেই কাজটি হচ্ছে।” উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “আজ কাজ শুরু হয়েছে—এ বিষয়ে আগে থেকে আমার জানা ছিল না। যারা কালভার্টটি ভেঙেছে, তারা এর মূল্য পরিশোধ করবে বলে জানিয়েছে।” এ ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত একটি সুষ্ঠু তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page